ঢাকাTuesday , 18 August 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

Link Copied!

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৬১ শিশু। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৮১৯ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৯ শিশুর। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৮।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৯ শিশুর শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ২ শিশু। এ সময়ে ৯০৩ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৬৭ শিশু।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৮০। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৯৮৯ জনের। এ সময়ে মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ২৮৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ২১ হাজার ৮৮০ জন।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা এখনো উদ্বেগজনক। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ এবং হাসপাতালে ভর্তির চাপ অব্যাহত থাকায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক রাখা হয়েছে।

 

স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, বর্তমানে যারা হামে আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই টিকা পায়নি। আক্রান্তদের বড় একটি অংশের বয়স ৬ মাস থেকে ৫৯ মাসের মধ্যে।

 

তিনি বলেন, এ বয়সী শিশুদের সুরক্ষায় এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১৬ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়ার পাশাপাশি আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে শিশুদের পুষ্টি ও সার্বিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবার ও স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।