ঢাকাFriday , 14 August 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জমি বিরোধের জেরে নারীকে পিটিয়ে জখম, লুটের অভিযোগ

Link Copied!

জমি বিরোধের জেরে নারীকে পিটিয়ে জখম, লুটের অভিযোগ

 

হালুয়াঘাটে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

 

হালুয়াঘাট প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোছা. মাহমুদা খাতুন (নাম বয়স উল্লেখ নেই) নামে এক নারীকে লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে হালুয়াঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর ভুবনকূড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আমিরখাকুড়া এলাকায় মাহমুদা খাতুনের নিজ বসতবাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

 

অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন মোছা. ছনিয়া আক্তারের সঙ্গে জমি-জমা নিয়ে মাহমুদা খাতুনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মো. রাওছা, মো. রুবেল, মো. ইস্রাফিল, মোছা. শিরিনা আক্তার ও মোছা. মুর্শিদা বেগম লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মাহমুদার বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন।

 

এ সময় মো. রুবেলের নির্দেশে মো. রাওছা লোহার রড দিয়ে মাহমুদা খাতুনের বাম চোখ লক্ষ্য করে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মুখ সরিয়ে নিলে আঘাতটি বাম কান ও চোখের মাঝামাঝি স্থানে লাগে। এতে ওই স্থান রক্তাক্ত জখম হয়।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, মো. ইস্রাফিল লোহার রড দিয়ে মাহমুদার বুকের ডান পাশে আঘাত করেন। পরে মোছা. মুর্শিদা বেগম লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাকে মাটিতে ফেলে দেন। এ সময় তাকে কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়।

 

এ ছাড়া মোছা. শিরিনা আক্তার জোরপূর্বক বসতঘরে প্রবেশ করে ট্রাংকে রাখা জমি বিক্রির দুই লাখ টাকা নিয়ে যান বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাহমুদা খাতুন ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর লাশ গুম করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

 

হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় মাহমুদা খাতুনকে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ছোট বোন মোছা. হাফসা আক্তারের মাধ্যমে হালুয়াঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়।

 

এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস আলম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বার্তা সিন্ধু ডট কম

হালুয়াঘাট প্রতিনিধি