হালুয়াঘাট প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার জরমকুড়া গ্রামে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানের পরও কথিত গারো মদ বিক্রি অব্যাহত থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনার পর কিছুদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ফের এলাকায় মদ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জরমকুড়া এলাকায় গারো মদ বিক্রির কারণে সামাজিক পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ ও পরিবারগুলোর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এলাকায় মদ বিক্রির সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন। স্থানীয়ভাবে এ-সংক্রান্ত অভিযোগে কুরুনা বাজী, লিমন ও চপেলা বাজী নাম উঠে এসেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় মুসলমান বাসিন্দারা বলছেন, প্রশাসনের অভিযান ও নজরদারি থাকার পরও যদি মদ বিক্রির কার্যক্রম আবার শুরু হয়ে থাকে, তাহলে এর পেছনে কারা জড়িত এবং কীভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, তা তদন্ত করা প্রয়োজন।
তাদের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ও মদ বিক্রির বিস্তার ঘটলে সামাজিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তরুণদের মধ্যে আসক্তি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও কার্যকর নজরদারি চান তারা।
স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনের কাছে জরমকুড়া এলাকায় পুনরায় তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আগের অভিযানের পরও যদি অবৈধভাবে মদ বিক্রির অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
বার্তা সিন্ধু ডট কম — স্থানীয় জনজীবন ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার খবর সবার আগে।


