ঢাকাMonday , 24 August 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত: ধর্ষণের শিকার ১১ বছরের শিশুর নবজাতকের জৈবিক বাবা মাদরাসা শিক্ষক সাগর

Link Copied!

ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত: ধর্ষণের শিকার ১১ বছরের শিশুর নবজাতকের জৈবিক বাবা মাদরাসা শিক্ষক সাগর

 

মদন (নেত্রকোণা), প্রতিনিধি: নেত্রকোণার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষায় মামলার আসামি মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগরই শিশুটির জৈবিক বাবা হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

 

সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের আগে মতামতের জন্য তার কাছে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে নবজাতকের সঙ্গে আসামি আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ নমুনার জেনেটিক পরিচয় (ডিএনএ প্রোফাইল) মিল পাওয়া গেছে। ফলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সাগরই নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন।

 

পিপি নুরুল কবীর রুবেল বলেন, “আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে ডিএনএ প্রতিবেদনসহ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। অভিযোগপত্র জমা হওয়ার পর ৬০ দিনের মধ্যেই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।”

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর এলাকায় একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে নানার বাড়িতে থেকে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তার মা জীবিকার তাগিদে সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।

 

গত ১৮ এপ্রিল মদন পৌর শহরের একটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালে চিকিৎসক শিশুটিকে অন্তঃসত্ত্বা বলে জানান। পরে ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদরাসা শিক্ষক সাগরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

 

মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে র‌্যাব সাগরকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর আদালত তার ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

 

শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে ১২ মে আদালতের নির্দেশে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সিলেটের একটি সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়।

 

নবজাতকের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ৯ জুলাই আদালতে আবেদন করে পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে ২৮ জুলাই সিলেটের ওই সেফ হোমে গিয়ে নবজাতকের নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

 

সিআইডির পরীক্ষার প্রতিবেদনে নবজাতকের সঙ্গে আসামি আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ মিল পাওয়ায় তাকে নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদন: Bartashindhu.com