ঢাকাThursday , 10 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন আদালত
  5. আইন ও পরামর্শ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেটে চুরির অভিযোগে কিশোরীর কোমরে শিকল বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ৩জন

Link Copied!

আহমেদ আকবর,সিলেট, BARTASHINDHU.COM

সিলেট নগরীর শাহজালাল উপশহর এলাকায় চুরির চেষ্টার অভিযোগে এক কিশোরীর (১৬) কোমরে লোহার শিকল বেঁধে রাস্তায় ঘোরানো এবং শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এই অমানবিক ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উপশহরের সি-ব্লক এলাকার মো. জাকির হোসেন (৪৩), তার ভাই মো. মোজাক্কির হোসেন (৪০) এবং একই এলাকার বাসিন্দা মো. বুরহান উদ্দিন (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় উপশহরের ডি-ব্লক মসজিদ মার্কেট এলাকার একটি দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে টাকা চুরির চেষ্টার অভিযোগে ওই কিশোরীকে আটক করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কয়েকজন বাসিন্দা। চুরির চেষ্টার অভিযোগে তাকে প্রথমে মারধর করা হয় এবং পরবর্তীতে রাত ১১টার দিকে তার কোমরে লোহার শিকল বেঁধে টেনেহিঁচড়ে উপশহরের প্রধান রাস্তায় ঘোরানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় উপশহরের ডি-ব্লক মসজিদ মার্কেট এলাকার একটি দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে টাকা চুরির চেষ্টার অভিযোগে ওই কিশোরীকে আটক করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কয়েকজন বাসিন্দা। চুরির চেষ্টার অভিযোগে তাকে প্রথমে মারধর করা হয় এবং পরবর্তীতে রাত ১১টার দিকে তার কোমরে লোহার শিকল বেঁধে টেনেহিঁচড়ে উপশহরের প্রধান রাস্তায় ঘোরানো হয়।

ভিডিওটি নজরে আসার পরপরই তদন্তে নামে শাহপরান থানা পুলিশ। ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্ত করার পর মঙ্গলবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) জানান, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীকে এভাবে প্রকাশ্যে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানি করার অপরাধে পুলিশ বাদী হয়ে শাহপরান থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে চুরির অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতে সোপর্দ করা হলে, বিজ্ঞ আদালত তাকে মুচলেকার মাধ্যমে তার পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। বর্তমানে সে তার পরিবারের সাথে রয়েছে।